International Standard Boccia Ball Inauguration

21 Sep 2026

Para Sports Classification Workshop held on 18 September 2026 at National Stadium Conference Room, Dhaka

 

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্যারা স্পোর্টসে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের ক্লাসিফিকেশন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করতে

NPC Bangladesh-এর উদ্যোগে ‘Para Sports Classification Workshop 2026’ অনুষ্ঠিত

 

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

প্যারা স্পোর্টসে প্রতিটি ক্রীড়াবিদের সক্ষমতা অনুযায়ী ন্যায্য প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করা, বৈজ্ঞানিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্মত ক্লাসিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশ (NPC Bangladesh)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে “Para Sports Classification Workshop 2026”।

 

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় স্টেডিয়াম কনফারেন্স রুমে (২য় তলা) সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্যারা স্পোর্টসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কোচ, সংগঠক, চিকিৎসক, পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্যারা স্পোর্টসের প্রতিযোগিতায় একজন ক্রীড়াবিদের প্রতিবন্ধিতার ধরন ও ক্রীড়া-সংশ্লিষ্ট সক্ষমতার যথাযথ মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ক্লাসিফিকেশন ছাড়া প্যারা স্পোর্টসে ন্যায্য প্রতিযোগিতা, ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা কঠিন।

 

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশে প্যারা স্পোর্টসের দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে যোগ্য ক্লাসিফায়ার, প্রশিক্ষিত কোচ, চিকিৎসক, পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ ও ক্রীড়া কর্মকর্তাদের সমন্বিত দক্ষতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

 

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন ড. মুহাম্মদ সোহরাব হোসেন, নির্বাহী পরিচালক, সিআরপি ও নির্বাহী সদস্য, এনপিসি বাংলাদেশ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ড. মারুফ আহমেদ মৃদুল, মহাসচিব, এনপিসি বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, সভাপতি, এনপিসি বাংলাদেশ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ ফারুকুল ইসলাম, ন্যাশনাল ডিরেক্টর, স্পেশাল অলিম্পিকস বাংলাদেশ ও জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম, প্রশাসক, জাতীয় স্টেডিয়াম। উপস্থাপনায় ছিলেন জনাব মোঃ হেদায়তুল আজিজ, উপ-মহাসচিব, এনপিসি বাংলাদেশ।

 

কর্মশালার প্রথম সেশনে NPC Bangladesh-এর Secretary General ড. মারুফ আহমেদ মৃদুল “Paralympic Movement & Para Sport Pathway” বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্যারালিম্পিক আন্দোলনের বিকাশ, জাতীয় পর্যায়ে প্যারা স্পোর্টসের কাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ থেকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং একজন প্যারা অ্যাথলেটের দীর্ঘমেয়াদি ক্রীড়া-যাত্রার বিভিন্ন ধাপ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্যারা স্পোর্টসকে কেবল পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে নয়, বরং উচ্চমানের প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রশিক্ষণ, ক্লাসিফিকেশন, প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন।

 

“Introduction to Disability & Inclusion” সেশনে NPC Bangladesh-এর Clinical Speech & Language Therapist (CSLT) ও Chief Operating Officer (COO) মো. মুতিউল ইসলাম প্রতিবন্ধিতা, অন্তর্ভুক্তি, সক্ষমতা ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্যারা স্পোর্টসের উন্নয়ন শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয় নয়; বরং এটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও সমাজে পূর্ণাঙ্গ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি কার্যকর মাধ্যম।

 

“Rehabilitation through Para Sports” বিষয়ে আলোচনা করেন Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP)-এর Executive Director ড. মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন। তিনি বলেন, পুনর্বাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে খেলাধুলা শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস, সামাজিক যোগাযোগ ও স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

NPC Bangladesh-এর Games & International Coordinator মো. আশিকুর রহমান খান “Actual Issues in Para Sports Classification” বিষয়ে প্যারা স্পোর্টস ক্লাসিফিকেশনের বাস্তব চ্যালেঞ্জ, মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সঠিক ক্লাসিফিকেশনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

অন্যদিকে, National Sports Council-এর Handball Coach (Grade-2) মো. কামরুল ইসলাম “Coaching Strategies and Behavioral Management in Para Sports Competitions” বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্যারা অ্যাথলেটদের প্রশিক্ষণ কৌশল, কোচ-অ্যাথলেট যোগাযোগ এবং প্রতিযোগিতার সময় আচরণ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

 

তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ছিল ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ। NITOR-এর Department of Physical Medicine-এর অধ্যাপক ডা. মনিরুল ইসলাম “Basics of Para-sports Classification” বিষয়ে মূল প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। তিনি প্যারা স্পোর্টস ক্লাসিফিকেশনের মৌলিক ধারণা, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন।

 

দুপুরের পর তার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত “Case Study & Practical Session”-এ অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব কেস বিশ্লেষণ ও ব্যবহারিক অনুশীলনে অংশ নেন। এর মাধ্যমে ক্লাসিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের বাস্তবভিত্তিক ধারণা আরও সুসংহত হয়। পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত Q&A, Knowledge Check ও Open Discussion পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ক্লাসিফিকেশন, কোচিং, অ্যাথলেট ব্যবস্থাপনা ও প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। প্যারা স্পোর্টসের টেকসই উন্নয়নে ক্রীড়া প্রশাসন, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান, কোচ, ক্লাসিফায়ার, ক্রীড়াবিদ এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে Closing Ceremony ও Certificate Distribution অনুষ্ঠিত হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

 

NPC Bangladesh-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে প্যারা স্পোর্টসের পরিধি ও মান উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী অ্যাথলেট তৈরি, দক্ষ কোচ ও কর্মকর্তার সংখ্যা বৃদ্ধি, ক্লাসিফিকেশন সক্ষমতা উন্নয়ন এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

এই কর্মশালাকে সেই বৃহত্তর উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে NPC Bangladesh জানায়, ভবিষ্যতে প্যারা স্পোর্টসের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, জ্ঞানবিনিময়, সক্ষমতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে। ন্যায্য প্রতিযোগিতা, সঠিক মূল্যায়ন এবং সমান সুযোগ—এই তিন ভিত্তির ওপর বাংলাদেশের প্যারা স্পোর্টসকে আরও শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলাই এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

 

 

প্যারা স্পোর্টসে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের ক্লাসিফিকেশন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করতে

NPC Bangladesh-এর উদ্যোগে ‘Para Sports Classification Workshop 2026’ অনুষ্ঠিত

 

প্যারা স্পোর্টসে প্রতিটি ক্রীড়াবিদের সক্ষমতা অনুযায়ী ন্যায্য প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করা, বৈজ্ঞানিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্মত ক্লাসিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশ (NPC Bangladesh)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে “Para Sports Classification Workshop 2026”।

 

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় স্টেডিয়াম কনফারেন্স রুমে (২য় তলা) ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্যারা স্পোর্টসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কোচ, সংগঠক, চিকিৎসক, পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন।

 

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, সভাপতি, এনপিসি বাংলাদেশ ও যুগ্ম কমিশনার। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্যারা স্পোর্টসের দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে যোগ্য ক্লাসিফায়ার, প্রশিক্ষিত কোচ, চিকিৎসক, পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ ও ক্রীড়া কর্মকর্তাদের সমন্বিত দক্ষতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। প্যারা স্পোর্টসের প্রতিযোগিতায় একজন ক্রীড়াবিদের প্রতিবন্ধিতার ধরন ও ক্রীড়া-সংশ্লিষ্ট সক্ষমতার যথাযথ মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ক্লাসিফিকেশন ছাড়া প্যারা স্পোর্টসে ন্যায্য প্রতিযোগিতা, ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা কঠিন।

 

উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন ড. মুহাম্মদ সোহরাব হোসেন, নির্বাহী পরিচালক, সিআরপি ও নির্বাহী সদস্য, এনপিসি বাংলাদেশ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ড. মারুফ আহমেদ মৃদুল, মহাসচিব, এনপিসি বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ ফারুকুল ইসলাম, ন্যাশনাল ডিরেক্টর, স্পেশাল অলিম্পিকস বাংলাদেশ ও জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম, প্রশাসক, জাতীয় স্টেডিয়াম। উপস্থাপনায় ছিলেন জনাব মোঃ হেদায়তুল আজিজ, উপ-মহাসচিব, এনপিসি বাংলাদেশ।

 

কর্মশালার প্রথম সেশনে NPC Bangladesh-এর Secretary General ড. মারুফ আহমেদ মৃদুল “Paralympic Movement & Para Sport Pathway” বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্যারালিম্পিক আন্দোলনের বিকাশ, জাতীয় পর্যায়ে প্যারা স্পোর্টসের কাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ থেকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং একজন প্যারা অ্যাথলেটের দীর্ঘমেয়াদি ক্রীড়া-যাত্রার বিভিন্ন ধাপ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্যারা স্পোর্টসকে কেবল পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে নয়, বরং উচ্চমানের প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রশিক্ষণ, ক্লাসিফিকেশন, প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন।

 

“Rehabilitation through Para Sports” বিষয়ে আলোচনা করেন Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP)-এর Executive Director ড. মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন। তিনি বলেন, পুনর্বাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে খেলাধুলা শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস, সামাজিক যোগাযোগ ও স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ছিল ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ। NITOR-এর Department of Physical Medicine-এর অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. মনিরুল ইসলাম “Basics of Para-sports Classification” বিষয়ে মূল প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। তিনি প্যারা স্পোর্টস ক্লাসিফিকেশনের মৌলিক ধারণা, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন। দুপুরের পর তার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত “Case Study & Practical Session”-এ অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব কেস বিশ্লেষণ ও ব্যবহারিক অনুশীলনে অংশ নেন। এর মাধ্যমে ক্লাসিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের বাস্তবভিত্তিক ধারণা আরও সুসংহত হয়।

 

National Sports Council-এর Handball Coach (Grade-2) মো. কামরুল ইসলাম “Coaching Strategies and Behavioral Management in Para Sports Competitions” বিষয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া “Actual Issues in Para Sports Classification” ও “Introduction to Disability & Inclusion” বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

 

বাংলাদেশে প্যারা স্পোর্টসের পরিধি ও মান উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী অ্যাথলেট তৈরি, দক্ষ কোচ ও কর্মকর্তার সংখ্যা বৃদ্ধি, ক্লাসিফিকেশন সক্ষমতা উন্নয়ন এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্যারা স্পোর্টসের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, জ্ঞানবিনিময়, সক্ষমতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে। ন্যায্য প্রতিযোগিতা, সঠিক মূল্যায়ন এবং সমান সুযোগ—এই তিন ভিত্তির ওপর বাংলাদেশের প্যারা স্পোর্টসকে আরও শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলাই এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।